শিরোনামঃ
শরণখোলায় ভাঙ্গা ব্রিজটি অপসারণ করেনি কর্তৃপক্ষ,দুর্ভোগে ব্যবসায়ীরা এমপি সালাহউদ্দিন জুয়েলকে মহানগর তাঁতীলীগের ফুলেল শুভেচ্ছা স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালন হচ্ছে কিনা সরজমিনে পরিদর্শনে অভিভাবক ফোরাম বেঁচে আসা হরিণ লোকালয় উদ্ধার,চিকিৎসা শেষে বনে অবমুক্ত সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী আর নেই আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা বাগেরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন ট্রাকের ধাক্কায় বাগেরহাটে ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নিহত মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিভ্রান্তি দুর করতে জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি বাগেরহাটে ২০২৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিলুপ্ত প্রায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা 

উত্তাল সংবাদ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৫

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা। আবহমানকাল ধরে উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে ঐতিহ্যবাহী এই লাঠি খেলা। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় ভূলতে বসেছে এসব বিনোদন। একসময় জনপ্রিয় খেলা ছিল লাঠি খেলা। বর্তমান সমাজে আধুনিকতার ছোঁয়া ডুকে পড়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। ঢোল আর লাঠির তালে নাচা-নাচি,অন্য দিকে প্রতিপক্ষের হাত থেকে আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বনের প্রচেষ্টায় সম্বলিত টান টান উত্তেজনার একটি খেলার নাম লাঠি খেলা। লাঠি খেলার আসরে লাঠির পাশাপাশি যন্ত্র হিসেবে ঢোল, ঝুনঝুনি ও বিভিন্ন প্রকার বাশি ব্যবহার হয়ে থাকে।

উপজেলার বাহাগিলী  ইউনিয়নের ঘোপাপাড়া গ্রামের মিজান উদ্দিনের কাছে লাঠি খেলার কথা জানতে চাইলে তিনি  বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা আজ বিলুপ্ত প্রায়। এক সময় আমাদের এলাকায় লাঠি খেলার খুব জনপ্রিয়তা ছিল। ছোট ছোট ছেলে- মেয়েরা থেকে শুরু করে বয়স বৃদ্ধ মানুষের কাছে লাঠি খেলা ছিল একটা বিনোদনের খোরাক। এটাকে বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছিল গ্রাম বাংলার সর্বসাধারণ। সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছিল লাঠি খেলা। এ খেলা দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতো।

কিন্তু এ খেলাটি দিনদিন বিলুপ্তি হওয়ার কারণে আগামী প্রজন্ম বুঝতে পারবে না আসলে লাঠি খেলা কি। যার ফলে চিরদিনের জন্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা হারিয়ে যাচ্ছে। নির্মল বিনোদনের খোরাক আর গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলাটি আর চোখে পড়ে না বললেই চলে। আবার অনেকে মনে করেন, এসব খেলার মাধ্যমে বিনোদন পেলে তরুণেরা বদঅভ্যাস ছেড়ে এই বিনোদনে আগ্রহী হতো।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সকল নিউজ সবার আগে পেতে লাইক দিন-

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ