শনি. জুন ২২, ২০২৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি

নিজের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম জামিল হাসান (জামু)।প্রতিপক্ষের হাত থেকে নিজের জীবন ও সম্পদের  নিরাপত্তা চেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে লিখিত আবেদন এস.এম জামিল হাসান (জামু)। আবেদনের প্রেক্ষিতে যথাযথ তদন্ত পূর্বক আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেষ দিয়েছেন পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়।লিখিত আবেদনে জামিল হাসান (জামু) বলেণ, আমি রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বর্তমান কাউন্সিলে আমি নির্বাচিত হতে পারিনি। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেনের সাথে আমার বিরোধ চলে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে মটরসাইকেলযোগে ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পথে ভাগার মোড়ের কাছে নতুন রেল লাইনের মাটির রাস্তার উপর পৌছালে বেল্লাল বেপারী, শাহাজাহান বেপারী, রুহোল আমিন বেপারী, মামুন ঢালী,  আছাদ শেখ, সোহাগ শেখ, রয়েল শেখ ও সজিব শেখসহ আরো ৫-৬ জন লোক লোহার রড, হাতুড়ি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে আমার গতিরোধ করে।আমি পাশ কাটাইয়া চলে যাই।তখন গতিরোধকারীরা আমাকে গালাগালি করতে থাকে এবং খুন করার হুমকি দেয়।প্রতিপক্ষের চিৎকারে স্থানীয় হেমায়েত, বেলাল শেখ, মতিয়ার রহমান, মিরাজুল সরদারসহ কিছু লোক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।তাদের কাছ থেকে আমি জানতে পারি এরপর আমাকে পথে ঘটে গুলি করে মেরে ফেলবে।জামিল হাসান (জামু)বলেন, প্রতিপক্ষের আগ্রাসি কার্যক্রম ও হুমকীতে আমি জীবন ও সম্পদ নিয়ে খুবই নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।প্রশাসনের কাছে শান্তিপূর্ণ জীবন-যাপনের নিশ্চয়তা চাই।এদিকে জামিল হাসান (জামু)-র অভিযোগ অস্বীকার করে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করি। আমার কোন বাহিনী নেই। আমি কাউকে হুমকী দেয়নি। বা আমার নির্দেশে কারও গতিরোধ হয়নি। আর ভাগায় এমন ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও আমি জানিনা। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এসব মিথ্যা ঘটনা সাজানো হচ্ছে।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *