বৃহঃ. ফেব্রু ২২, ২০২৪

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রায়হান উদ্দিন শান্ত নৌকা প্রতীকে ৫৬ হাজার ১‘শ ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। দাদা নাছির উদ্দিন আকন ও বাবা কামাল উদ্দিন আকনের পর শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন তিনি।শান্তর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭‘শ ৬৭ ভোট ও বিএনপি মনোনীত মতিয়ার রহমান খান ধানের শীষ প্রতীকে ৬‘শ ৭৩ ভোট পেয়ছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে শরণখোলা উপজেলা মিলনায়তনে নির্বাচনী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরাজী বেনজীর আহমেদ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।এসময় বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেরা ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজ আল আসাদ, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন, শরণখোলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অঞ্জন সরকার, শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৩৩টি কেন্দ্রে ৮৯ হাজার ৩৩৭ জন ভোটার ছিল। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ৫৭ হাজার ৬‘শ ২৮ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।প্রথমবারের মত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে বাবার জায়গায় বসলেন শান্ত। রায়হান উদ্দিন শান্ত‘র বাবা কামাল উদ্দিন আকন শরণখোলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন। কামাল উদ্দিন আকন ২০০৯ সালের মার্চ মাসে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বহাল ছিলেন। শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন কামাল উদ্দিন আকন। শান্ত‘র দাদা মরহুম নাছির উদ্দিন আকনও শরণখোলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের আমলে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, শরণখোলাবাসী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীককে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে।শরণখোলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। আমি নির্বাচনের আগে শরণখোলাবাসীকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা পালন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আকন মারা গেলে পদটি শূন্য হয়। দীর্ঘ ১০ মাস পরে ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করেন।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *