শনি. মে ১৮, ২০২৪

কোরবানি ঈদের আগেই রাজধানীর বাজারে বিভিন্ন মসলার দাম কমেছে। রোববার ( ৫ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, টিকাটুলী, শ্যামপুর, শনির আখড়া ও মিরপুরসহ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, শুকনো মরিচ, ধনিয়া ও তেজপাতার দাম কমেছে।

এ বিষয়ে মিরপুর ১১ নম্বরে মসলা ব্যবসায়ী মিনু বলেন, গত শুক্রবার থেকেই আদা, রসুন, হলুদ ও জিরার দাম কমেছে। তিনি বলেন, ক্রেতা না থাকার কারণে দাম কমে যাচ্ছে। পাইকারি বাজারেই দাম অনেক কম। তাই খুচরা বাজারেও কমেছে।
মিনু বলেন, ‘আদা ও রসুনের মতো পণ্য ক্রেতা না থাকলে বেশি দিন রাখা যায় না। তাই কম দামেই ছেড়ে দিতে হচ্ছে। অন্য সময় কোরবানির আগে ব্যাপক চাহিদা থাকে। এবার তেমন চাহিদা দেখা যাচ্ছে না।’

হারুন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘সামনে কোরবানির ঈদ। আর এই ঈদে মসলার চাহিদা থাকে বেশি, তাই বেশি করে কিনতে এসেছিলাম আগেভাগে। কিন্তু বাজারে এসে এত কম দামে কিনতে পারব, তা ভাবিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বছরের এ সময় অনেক দাম থাকে বিভিন্ন মসলার। কিন্তু এবার দাম কম থাকায় বেশি পরিমাণে ও কম দামে মসলা কিনতে পারব এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।’

এদিকে, বাজারে আজও ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। আজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

শুকনো মরিচের দাম মানভেদে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৮৯ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। অন্যদিকে আমদানি করা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে দাম ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে।

তেজপাতার দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে ছিল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে ধনিয়ার দাম কমেছে ২০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দরে।

আমদানি করা প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। হলুদ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। জিরা দাম কমেছে কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *